29th-Blog

রান্নাঘরে দরকারি ৮ সামগ্রী

মজাদার ও সুস্বাদু সব রান্না প্রস্তুত করতে দিনের আমাদের জীবনের অধিকাংশ সময়ই কেটে যায় রান্নাঘরে। সেই রান্নার কাজকে সহজ করে বেশ কিছু উপকারী সামগ্রী। আসুন জেনে নেয়া যাক, রান্নাঘরে ব্যবহৃত সে সকল উপকারী সামগ্রীসমূহের সম্পর্কে, যা আপনার রান্নার নানা ঝামেলা কমিয়ে আপনার কাজকে করবে সহজতর।

১। ইলেকট্রিক হ্যান্ড মিক্সার

আমরা অনেকেই বিভিন্ন রকমের নতুন নতুন খাবার রান্না করতে খুব ভালবাসি। সেক্ষেত্রে ঘরে নানা রকমের মজাদার খাবার প্রস্তুতে আমরা মিক্সিং এর কাজে হ্যান্ড মিক্সার ব্যবহার করে থাকি। সাধারণ হ্যান্ড মিক্সারের তুলনায় ইলেকট্রিক হ্যান্ড মিক্সার ব্যবহারে মিক্সিং করা যায় সহজে এবং অল্প সময়ে। তাই ঘরে একটি ইলেকট্রিক হ্যান্ড মিক্সার রাখতে পারেন। এখন আপনার পছন্দের হ্যান্ড মিক্সার পেয়ে যাবেন এখন Shobuy-এ।

২। রাইস কুকার

বর্তমানে শহরাঞ্চলের ঘরবাড়িগুলোতে গ্যাস সংকট দেখা দিচ্ছে। প্রায়ই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্যাস থাকে না। গ্যাস সংকটের কারণে রান্না করা নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই গৃহকর্তাদের। আবার আমরা অনেকেই ভাত রান্না করতে জানি না। এসকল সমস্যার সমাধান মেলে রাইস কুকারে। গ্যাসের অপেক্ষা না করে রাইস কুকারে ভাত রান্না করা যায় খুব  সহজে। তবে রাইস কুকারে আপনি চাইলে অন্যান্য তরকারিও রান্না করতে পারেন। নতুন রাঁধুনিদের জন্যও Rice Cooker বেশ উপকারী।

৩। ননস্টিক ফ্রাইপ্যান ও ননস্টিক কড়াই

মাছ-মাংস বা ডিম ভাজা বা যে কোন রান্নায় fry pan খুবই কার্যকরী। এতে রান্না করা যায় খুব সহজে। খাবার পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে না। ননস্টিক ফ্রাইপ্যানে অল্প আঁচে চুলায় পিজ্জা তৈরি করা যায়।

Non-stick korai রান্নাঘরের অন্যতম উপকারী একটি সামগ্রী। ননস্টিক কড়াই বা কুকারে রান্না করা যায় সহজে এবং কম সময়ে। রান্না পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

৪। প্রেসার কুকার

প্রেসার কুকার রান্নাঘরের অন্যতম নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।  অনেক সময় আমাদের ঘরে হুট করেই মেহমান চলে আসে। তখন প্রেসার কুকারে ঝটপট রান্না সেরে ফেলা যায়। আমাদের  রান্নার কাজকে সহজ করতে Pressure Cooker-এর কোন বিকল্প নেই।

৫। ব্লেন্ডার

জুস তৈরিতে কিংবা রান্নার কাজে, Blender আমাদের খুবই উপকারে আসে। বর্তমানে ব্লেন্ডারের সাহায্যে খুব সহজেই আদা-রসুন-পেঁয়াজ পেস্ট করা হয়ে যায়। আগের মতো পাটা পুঁতা দিয়ে বাটার ঝামেলা থাকে না। এতে সময়ও কম লাগে। আবার আদা রসুনের পেস্টও মিহি হয়। এছাড়াও গরম মসলার গুঁড়া বা টমেটো পেস্ট তৈরিতেও উপকারে আসে।

ঘরে বিভিন্ন নিত্যনতুন আইটেম প্রস্তুতে ব্লেন্ডার উপকারী সামগ্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- যেকোনো ধরনের সস বা মেয়নিজ তৈরিতেও ব্লেন্ডার বেশ কাজে আসে।

এছাড়াও ছোট শিশুদের খাবারও ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে খাওয়ানো যায়। এতে কম সময়ে সহজেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব। 

৬। ননস্টিক বা কাঠের খুন্তি

ননস্টিক কুকার ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষ যত্নবান হতে হয়। অনেক যত্ন সহকারে নরম মাজুনি বা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়। এ ধরণের হাঁড়িতে রান্নার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় কাঠের খুন্তি বা ননস্টিক খুন্তি। অন্যথা স্টিলের খুন্তি বা চামচ ব্যবহার করলে আপনার হাঁড়িতে দাগ পরে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৭। রান্নাঘর পরিষ্কারক

ঘরের পাশাপাশি প্রতিদিন রান্নাঘরকেও পরিষ্কার রাখা খুবই জরুরী। রান্নাঘর পরিষ্কারক বা জীবাণুনাশক ব্যবহার করে রান্নাঘর পরিষ্কার করতে হবে। কেননা বাইরে থেকে বাজার করা খাদ্যদ্রব্য বা কাঁচা মাংস রান্নাঘরে জীবাণু ছড়াতে পারে। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই বাজার আনার পর, বাজার পরিষ্কার করে গুছিয়ে রাখার পর, রান্নাঘর ভালো করে জীবাণুনাশক সামগ্রী দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে।

এছাড়াও রান্না করা শেষে রান্নাঘর পরিষ্কার করে মুছে ফেলতে হবে। রান্নাঘরের সিংক প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে। সিংকে গরম পানি ঢালতে হবে। এতে সিঙ্কের পাইপে তেল চর্বি জমাট বাধবে না। এছাড়াও আমাদের ময়লা থালাবাসন যেহেতু আমরা সিংকে পরিষ্কার করে থাকি, তাই সে জায়গাটি যথেষ্ট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। নয়তো ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

৮। ন্যাপকিন বা তোয়ালে

রান্নাঘরে সারাক্ষণ আমাদের পানির কাজ করতে হয়। যেমন হাঁড়ি পাতিল পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে শাকসবজি ধোয়া পর্যন্ত। ভেজা হাত শুষ্ক করে মুছে নেয়ার জন্য বা ভেজা বাসন মোছার জন্য হাতের নাগালে রান্নাঘরে সবসময় ন্যাপকিন বা তোয়ালে রাখাই লাগে।

Leave A Comment

You must be logged in to post a comment